মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভূমি বিষয়ক তথ্য

জারী ও জমা খারিজ সংক্রন্তঃ

১ঃ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে জমির তফশীল উল্লেখ পূর্বক নাম জারীর আবেদন করতে হয়।

২ঃ নাম জারীর আবেদন ১০/(দশ) টাকার কোট ফি সংযুক্ত করতে হবে।

৩ঃ নাম জারীর অনুমোদন করা হলে রেকর্ড সংশোধন ও পর্চা ফি ২৫/- টাকা।

৪ঃ প্রসাতব ফরম ২.৫০ টাকার কোট ফি প্রসেস জারীর জন্য সংযুক্ত করতে হবে।

৫ঃ আপত্তি না থাকিলে ৩০ দিনের মধ্যে নাম জারীর মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

৬ঃ সহকারী কমিশনার (ভূমি) ব্যতিত অন্য কেউ নাম খারিজ অনুমোধন করার একতিয়ার রাখে না।

৭ঃ দলিল গ্রহীতা কিংবা রেকডীয় মালিক তথা ওয়ারিশ সরাসরী সহকারী (ভূমি) বরাবরে খারিজের জন্য আবেদন করুন।

৮ঃ ওয়ারিশ সুত্রে নাম জারীর ক্ষেত্রে অবশ্যাই ওয়ারিশ সনদ দাখিল করিতে হবে।

৯ঃ সরকারী ফি ব্যতিত নাম খারিজের জন্য অতিরিক্ত কোন অর্থ কাউকে দেবেন না।

ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ সংক্রন্তঃ

কঃ কৃষি জমির ক্ষেত্রেঃ

১ঃ ৮.২৫ একর ২৫ ( বিঘা পর্যন্ত)ঃ ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ তবে জমির মওকুফ দাখিলা সংগ্রহ করতে হবে।

২ঃ ৮.২৫ একরের উদ্ধেঃ ১০.০০ একর পর্যন্ত প্রতি শতাংশ ০.৫০ টাকা হারে আদায়যোগ

(খ) অকৃষি জমির ক্ষেত্রেঃ

 শিল্প ও বাণিজ্যক ব্যবহারিক ভিত্তিক আবাসিক জমির ব্যবহার

 ১ঃ ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকাঃ ২২.০০ টাকা হারে প্রতি শতংশ ৭.০০ হারে প্রতি শতাংশ।

২ঃ  পৌর এলাকা ঘোষিত হয়নি এরুপ এলাকাঃ ১৫.০০ হারে প্রতি শতংশ ৫.০০ হারে প্রতি শতংশ।

৩ঃ ভূমি, উন্নয়ন করের দাখিলা প্রপ্তি সাপেক্ষে টাকা পরিশোধ করুন।

৪ঃ দাখিলার টাকা ব্যতিত অতিরিক্ত টাকা দিবেন না।

রেকর্ড সংশোধন সংক্রন্তঃ

 ১ঃ প্রকাশিত রেকর্ড যেমন সি এস সম্প©র্ক অভিযোগ থাকলে সিভিল কোটের রায়ের ভিত্তিতে আপিল রায়ের সময় সীমার শেষে রের্কড সংশোধনের সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবরে আবেদন করা যাবে।

২ঃ ভুমি অফিস সিভিল কো©র্টর রায় ব্যতীত কোন প্রকার রায় সংশোধন সংযোজন করার এখতিয়ার রাখে না।

খাস জমি ব্যবস্থাপনা সংক্রন্তঃ

১ঃ খাস জমিতে কোনরুপ স্থাপনা র্নিমান / শ্রেনী পরিবর্তন পুকুর খনন সম্পুন্ন বে আইনি

২ঃ অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী প্রকৃত ভুমিহীনদের মাঝে খাস জমি ১ টাকা সেলামী ধার্যে ৯৯ বৎসর মেয়াদে বন্দোবস্ত দেয়া হয়।

৩ঃ খাস জমি দেখা শোনার দায়িত্ব ভুমি অফিস সহ নাগরিক হিসাবে আপনার আমার সকলের

অর্পিত সংম্পত্তি সংক্রন্তঃ

১ঃ শুধুমাত্র কেস নথি চালু আছে এমন অর্পিত সম্পত্তি  একসন মেয়াদে নিধারীত সেলামী ধার্য়ে এবং আদায় সাপেক্ষে ইজারা দেওয়া।

২ঃ কেস নথি চালু নাই এমন অর্পিত্ত সম্পত্তি ইজারা দেওয়ার আইনগত সুযোগো নাই।

৩ঃ অর্পিত্ত সম্পত্তির পত্যর্পণ যোগ্য তালিকায় কোন সম্পত্তি থাকিলে তা অবমুক্তির সুযোগ বর্তমানে নাই। সরকারী কর্তৃক নিদের্শনা না পাওয়া পর্যন্ত অবমুক্তির বিষয়ে ভূমি অফিসের করনীয়  কিছু নাই।

সার্টিফিকেট কেস সংক্রন্তঃ

১ঃ সার্টিফিকেট কেস রুজু করা হয় তখন, যখন ভূমি মালিকগন তাদের  স্ব-স্ব জমি জমার বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেন না  অতঃপর সরকারী পাওনা আদায়ে স্বাথে।

সার্টিফিকেট মোকদ্দমা  রুজু করা হয় ।

২ঃ নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর  পরিশোধ করে সার্টিফিকেট মোকদ্দমা থেকে মুক্ত থাকুন।

৩ঃ সার্টিফিকেট মোকদ্দমা সংক্রন্ত বিষয়ে কোন অভিযোগ থাকলে ৭ ধারা নোটিশ জারীর ৩০ দিনের মধ্যে অর্পিত্ত দাখিল করতে হবে।

হাট বাজারঃ

১ঃ হাট বাজরে পেরীফেরী ভূক্ত জায়গায়  একসন লীজ/লাইন্সে গ্রহন পূর্বক প্রকৃত ব্যবসায়গণ বৈধভাবে ব্যবসা করতে পারেন হাটের তোয়া বাজারে জন্য চিহ্নিত অংশে কোনরুপ স্থাযী স্থাপন নির্মান সম্পর্ণভাবে নিদ্ধঃ

সরকারী টাকা আদায় সংক্রন্তঃ

১ঃ যথাযথ রসিদ/ডিসি আর/দাখিলা ব্যতিত কাউকে কোন টাকা দিবেন না

অভিযোগ সংক্রন্তঃ

১ঃ ভূমি সংক্রন্ত বিষয়ে আপনার কোন অভিযোগ থাকলে অতবা সরকারী নিধারীত ফি এর অতিরিক্ত কেউ দাবী করলে তা সরাসরি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), নির্বাহী অফিসার অতবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে অবহিত করুন।


Share with :

Facebook Twitter